বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম 0 628

বিকাশ কি?

বিকাশ(bKash) বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং(Mobile Banking) মাধ্যম। দেখে নিন কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র(NID) দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন মিনিটেই। এই কাজটি সহজে করতে পারবেন ঘরে বসে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই। বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারি। তাছাড়া আরো অনেক টাকা লেনদেনের কাজ করতে পারবেন বিকাশ ব্যবহার করে ঘরে বসেই। এতদিন বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য সবাইকে এজেন্টের কাছে যেতে হতো কিন্তু বিকাশের নতুন অ্যাপ এর নতুন আপডেট এর মাধ্যমে ঘরে বসেই এক মিনিটের মধ্যেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলতে পারবেন সবচেয়ে সহজে এবং সবচেয়ে মজার বিষয় হল কাজটি করতে আপনাকে একবারের জন্যেও বিকাশ এজেন্টের কাছে যেতে হবে না।

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম কি?

বিকাশ একাউন্ট খোলা একদম সহজ। দেখে নেয়া যাক কিভাবে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন ঘরে বসেই। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ অ্যাপটিকে(bKash App) ইন্সটল করে নিতে হবে। তারপর –

Step 1 – প্রথম ধাপঃ লগইন/রেজিষ্ট্রেশন এর মধ্যে ক্লিক করুন
Step 2 – দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার ১১ ডিজিটের মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন
Step 3 – তৃতীয় ধাপঃ অপারেটর বেছে নিন, ভেরিফিকেশন কোড কনফার্ম করুন
Step 4 – চতুর্থ ধাপঃ অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এর শর্তাবলী পড়ুন এবং নিয়ম ও শর্তসমূহ বাটনে ক্লিক করুন
Step 5 – পঞ্চম ধাপঃ তারপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মেনে চলুন

১ আপনার NID এর ছবি তুলুন
২ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন
৩ নিজের চেহারার ছবি তুলুন

ব্যস, সবকিছু সঠিকভাবে সাবমিট করে দিলে পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার বিকাশ(bKash) একাউন্ট সচল হয়ে যাবে। এভাবে সহজে আপনি বিকাশ একাউন্ট খুলে ফেলে লেনদেন শুরু করতে পারবেন।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কালোজিরার উপকারিতা ও ওষধি গুনাগুন 0 606

কালোজিরার উপকারিতা

কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে অবিশ্বাস্য ঐশ্বরিক শক্তি। প্রাচীনকাল থেকেই কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়। এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে যৌন চিকিৎসকের কাছে যান ও ভায়াগ্রা কিংবা যৌন শক্তিবর্ধক ঔষধ সেবন করেন! তাদেরকে বলছি আজ থেকে আর নয় ভায়াগ্রা, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় যৌন ক্ষমতা অপরিসীম। শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

যা আছে কালোজিরায় – কালোজিরার উপাদানঃ
কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

এবার জেনে নিই কালোজিরার উপকারিতাঃ

১. পেট খারাপ সমস্যা সমাধানঃ নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৩. হাপানি সমস্যার সমাধানঃ যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

৪. ঠান্ডা সমস্যার সমাধানঃ প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।

৫. মাথাব্যাথার উপশমঃ প্রচন্ড মাথা ব্যথা? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়। এটা তখন ঝান্ডু বামের মত কাজ করবে।

৬. চুলকানি উপশমঃ কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।

৭. ডায়াবেটিসের সমাধানঃ কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৮. স্মরণশক্তি ঠিক রাখাঃ স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুবই কার্যকর।

৯. পেট ও প্রস্রাব পরিষ্কার রাখাঃ পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।

১০. শিশুর মানসিক বৃদ্ধিঃ শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

অনলাইন শপিং এর ৫ টি সুবিধা 0 546

অনলাইন শপিং সুবিধা গুলো

প্রযুক্তি মানুষের জন্য একবিংশ শতাব্দীতে নিয়ে এসেছে অনেক সংযোজন। অনলাইন শপিং বা ইকমার্স এর মধ্যে বেশ সংযোজন। আজকের দুনিয়ায় কে নেয় না ইকমার্স সুবিধা? এইতো কিছুদিন আগেও কে ভাবতে পেরেছিল অনলাইন শপিং সুবিধা পৌঁছে যাবে গ্রাম কিংবা লোকালয় পর্যন্ত? বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম না। এখন কেবল ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম নয়, প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে গেছে ই-কমার্স সুবিধা। আজ আমরা আলোচনা করব অনলাইন শপিং এর সুবিধা গুলো নিয়েই।

১। ২৪ ঘন্টা শপিং সুবিধাঃ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহককে দিচ্ছে দিনের ২৪ ঘন্টাই কেনাকাটা করবার সুবিধা। ওয়েবসাইট, অ্যাপ কিংবা এফ-কমার্স থেকে বছরে ৩৬৫ দিন, দিনের ২৪ ঘন্টাই শপিং করতে পারছে ক্রেতারা।
২। স্বল্প সময়ে শপিং সুবিধাঃ কম সময় ব্যয় করে ঘরে বসেই পণ্য বাছাই করে কেনাকাটা করা যাচ্ছে অনলাইন শপিং এর কারণে। হোক রোদ, হোক বৃষ্টি, থাকুক না ট্রাফিক জ্যাম, অনলাইন শপিং এসে মানুষের সুবিধা বেড়েছে বহুগুনে। সময় বেঁচে যাচ্ছে আগের থেকে অনেক।
৩। অবিশ্বাস্য দামঃ আর দাম? ই-কমার্স সেবা মানেই পণ্যের দামে অফার কিংবা ডিসকাউন্ট। এর মধ্যে ইদানিংকালে যুক্ত হয়েছে প্রিপেমেন্ট ডিসকাউন্ট। ব্যাংক কার্ড কিংবা বিকাশ পেমেন্টেও ক্রেতারা পাচ্ছেন মূল্যছাড়। আর উৎসব বা ক্যাম্পেইন সময়কালে তো থাকে বিশাল ছাড়। যার ফলে, সব মিলিয়ে দামের দিক থেকে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারাই।

আরো দেখুনঃ বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম
৪। পণ্যের বৈচিত্র্যঃ ইকমার্স ওয়েবসাইটগুলো ক্রেতাদের দিচ্ছে সর্বাধিক পরিমাণ পণ্য বৈচিত্র্য। ভিন্ন ভিন্ন রঙ, ডিজাইন কিংবা বাহারি মানের পণ্যের বিচিত্রতা কেবল ই-কমার্সেই সম্ভব।
৫। হোম ডেলিভারি সুবিধাঃ সবচেয়ে জরুরী সুবিধা, অনলাইন শপিং আপনাকে দিচ্ছে ঘরে বসেই পণ্য পাবার নিশ্চয়তা। ই-কমার্সের হোম ডেলিভারি মানুষের কাছে পণ্যের দূরত্ব ঘুচিয়েছে অনেক। হ্যাপি অনলাইন শপিং!