অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট – বাংলাদেশের সেরা ১১ 0 1215

অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট

অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট কি?

অনলাইনে কেনাকাটা করার সহজ ও সেরা মাধ্যম হল অনলাইন শপিং সাইট(Online shopping sites)। একবিংশ শতাব্দীতে আজ সারা পৃথিবী ব্যাপী বেশ জনপ্রিয় কেনাকাটার মাধ্যম হল অনলাইন শপ। সময় বাঁচিয়ে, রোদ কিংবা জ্যাম এড়িয়ে ঘরে বসে বাজার দরের চেয়ে কম দামে যদি পণ্য অর্ডার করে যদি হোম ডেলিভারি পাওয়া যায়, তবে সে সুযোগ কে নিতে চাইবে না? আর কেবল সাধারণ পণ্য না, যদি সুযোগ থাকে মুভি টিকেট, বিমান-রেল-বাস-লঞ্চের টিকেট লাইনে না দাঁড়িয়ে ঘরে বসে কাটার, তবে যে কেউই তো সেই সুযোগ নিতে চাইতেই পারে!

এবার জেনে নেয়া যাক দেশের সেরা ১১ টি জনপ্রিয় অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট সম্পর্কে

১। দারাজ বাংলাদেশ

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত দারাজ বাংলাদেশ(Daraz BD) এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং কোম্পানি আলিবাবার অঙ্গ সংগঠন। দীর্ঘ সময় ধরে দারাজ বাংলাদেশী গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আস্থাভাজন নাম। দারাজে পাওয়া যায় না এমন পণ্য নেই। আর তাদের তো সুনাম রয়েছে সবচেয়ে দ্রুতগামী ডেলিভারি করার। অফার, ডিল, ডিসকাউন্ট, ডেলিভারি সময়, পণ্যের বৈচিত্র্যতা, অরিজিনাল ব্র্যান্ডের পণ্য সহ বাহারি সুবিধায় দারাজ থাকবে তালিকার ১ নম্বরে।

২। ইভ্যালি ডট কম

দেশীয় কোম্পানী ইভ্যালি(Evaly) ২০১৯ সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়েই অবিশ্বাস্য অফার দিয়ে গ্রাহকদের খুব কাছে পৌঁছতে পেরেছে। যদিও তাদের পণ্য ডেলিভারি করতে অন্য প্রতিষ্ঠান গুলোর চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। কিন্তু এ কথা সত্য ইভ্যালি অফার এর মত এত ক্রেজি অফার দিতে পারেনি কেউ বাংলাদেশে। তাই কেবল অফার দিয়েই ক্রেতাদের ধরে রাখতে একটুও বেগ পেতে হয়নি ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি’র। ই-ভ্যালি থাকছে তালিকার ২ নম্বরে।

৩। বিকাশ

বিকাশ(bKash) বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন ভিত্তিক টাকা স্থানান্তর (এমএফএস) সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান। এটি ব্যাঙ্ক একাউন্টবিহীন ব্যক্তিদের আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছিল। আর অনলাইন পেমেন্ট বা অনলাইন শপিং এর সবচেয়ে বড় মাধ্যম এখন বিকাশ। নতুন গ্রাহকদের জন্য থাকছে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

৪। আজকের ডিল

আজকের ডিল(AjkerDeal) বাংলাদেশে ই-কমার্স শিল্প শুরুর প্রথম দিকের প্রতিষ্ঠান। বৃহৎ চাকুরি খোঁজার পোর্টাল বিডিজবসের সহ প্রতিষ্ঠান আজকের ডিল ডট কম। প্রায় সকল ক্যাটেগরির পণ্য অনলাইনে কেনাকাটার অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকের ডিল।

৫। উবার বাংলাদেশ

উবার (Uber) মোবাইল স্মার্টফোনের অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি সেবার নেটওয়ার্ক। আমেরিকা ভিত্তিক অনলাইন পরিবহন নেটওয়ার্ক কোম্পানি উবারের কোন নিজস্ব ট্যাক্সি নেই। উবারের কিছু নির্ণায়ক যোগ্যতা বা শর্ত পূরণ করে ব্যক্তিগত গাড়ি আছে এমন যে কোন ব্যক্তিই উবার টিমের সাথে যুক্ত হতে পারেন। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও অনলাইনের মাধ্যমে গাড়ি সেবা নেয়ার সুবিধা এখানেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

৬। সহজ ডট কম

সহজ ডট কম(Shohoz) দেশীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত আরেকটি জনপ্রিয় অনলাইন প্রতিষ্ঠান। রাইড সেবা, ফুড সেবা থেকে শুরু করে লঞ্চ কেবিন কিংবা বাস টিকেটিং – গ্রাহকরা সব কিছুই পাবেন সহজ থেকে।

৭। চাল ডাল

চালডাল ডট কম(Chaldal) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রোসারি অনলাইন শপ। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চালডালে ফ্রেশ ফুড, সবজী, মাংস, ডেইরি, গ্রোসারি, ব্যক্তিগত পণ্য থেকে গৃহস্থালি পণ্য সবই হোম ডেলিভারি করে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো ঢাকার বাইরে তাদের সেবা প্রদান শুরু করতে পারেনি।

৮। বিডি টিকেটস

ডমেস্টিক বাস, গ্রীন লাইন ওয়াটার বাস, বিমান টিকেট কাটার সবচেয়ে সহজ উপায় হল বিডি টিকেটস ডট কম। স্টেশনের লম্বা লাইন এড়িয়ে এখন ঘরে বসেই ডিসকাউন্ট সহ অনলাইন টিকেটিং সেবা দিচ্ছে বিডি টিকেটস(BDTickets)।

৯। পিকাবু ডট কম

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পিকাবু ডট কম(Pickaboo) মোবাইল ফোন, গ্যাজেট, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স ও ইলেক্ট্রনিকস এর জন্য বেশ জনপ্রিয় অনলাইন শপ। দ্রুতগতির হোম ডেলিভারির জন্য পিকাবু বেশ খ্যাত।

১০। মোনার্ক মার্ট

মোনার্ক মার্ট(Monarch Mart) বাংলাদেশের অনলাইন শপিং খাতের সর্বশেষ সংযোজন। ২০২২ সালে আবির্ভুত হয়েই বেশ সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশী গ্রাহকদের মাঝে। এখান থকে প্রায় সকল ক্যাটেগরির পণ্যই অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। সাকিব আল হাসান মোনার্ক মার্টের চেয়ারম্যান।

১১। পাঠাও

পাঠাও(Pathao) অনলাইনের মাধ্যমে রাইডশেয়ারিং সেবাদানকারী একটি বাংলাদেশী কোম্পানি। এটি মূলত বাংলাদেশের প্রধান ৩ শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে তাদের রাইড শেয়ারিং সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের বাইরে নেপালেও পাঠাও সেবা দিয়ে থাকে।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কালোজিরার উপকারিতা ও ওষধি গুনাগুন 0 523

কালোজিরার উপকারিতা

কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে অবিশ্বাস্য ঐশ্বরিক শক্তি। প্রাচীনকাল থেকেই কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়। এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে যৌন চিকিৎসকের কাছে যান ও ভায়াগ্রা কিংবা যৌন শক্তিবর্ধক ঔষধ সেবন করেন! তাদেরকে বলছি আজ থেকে আর নয় ভায়াগ্রা, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় যৌন ক্ষমতা অপরিসীম। শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

যা আছে কালোজিরায় – কালোজিরার উপাদানঃ
কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

এবার জেনে নিই কালোজিরার উপকারিতাঃ

১. পেট খারাপ সমস্যা সমাধানঃ নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৩. হাপানি সমস্যার সমাধানঃ যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

৪. ঠান্ডা সমস্যার সমাধানঃ প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।

৫. মাথাব্যাথার উপশমঃ প্রচন্ড মাথা ব্যথা? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়। এটা তখন ঝান্ডু বামের মত কাজ করবে।

৬. চুলকানি উপশমঃ কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।

৭. ডায়াবেটিসের সমাধানঃ কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৮. স্মরণশক্তি ঠিক রাখাঃ স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুবই কার্যকর।

৯. পেট ও প্রস্রাব পরিষ্কার রাখাঃ পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।

১০. শিশুর মানসিক বৃদ্ধিঃ শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

অনলাইন শপিং এর ৫ টি সুবিধা 0 477

অনলাইন শপিং সুবিধা গুলো

প্রযুক্তি মানুষের জন্য একবিংশ শতাব্দীতে নিয়ে এসেছে অনেক সংযোজন। অনলাইন শপিং বা ইকমার্স এর মধ্যে বেশ সংযোজন। আজকের দুনিয়ায় কে নেয় না ইকমার্স সুবিধা? এইতো কিছুদিন আগেও কে ভাবতে পেরেছিল অনলাইন শপিং সুবিধা পৌঁছে যাবে গ্রাম কিংবা লোকালয় পর্যন্ত? বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম না। এখন কেবল ঢাকা কিংবা চট্টগ্রাম নয়, প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে গেছে ই-কমার্স সুবিধা। আজ আমরা আলোচনা করব অনলাইন শপিং এর সুবিধা গুলো নিয়েই।

১। ২৪ ঘন্টা শপিং সুবিধাঃ অনলাইন শপিং প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহককে দিচ্ছে দিনের ২৪ ঘন্টাই কেনাকাটা করবার সুবিধা। ওয়েবসাইট, অ্যাপ কিংবা এফ-কমার্স থেকে বছরে ৩৬৫ দিন, দিনের ২৪ ঘন্টাই শপিং করতে পারছে ক্রেতারা।
২। স্বল্প সময়ে শপিং সুবিধাঃ কম সময় ব্যয় করে ঘরে বসেই পণ্য বাছাই করে কেনাকাটা করা যাচ্ছে অনলাইন শপিং এর কারণে। হোক রোদ, হোক বৃষ্টি, থাকুক না ট্রাফিক জ্যাম, অনলাইন শপিং এসে মানুষের সুবিধা বেড়েছে বহুগুনে। সময় বেঁচে যাচ্ছে আগের থেকে অনেক।
৩। অবিশ্বাস্য দামঃ আর দাম? ই-কমার্স সেবা মানেই পণ্যের দামে অফার কিংবা ডিসকাউন্ট। এর মধ্যে ইদানিংকালে যুক্ত হয়েছে প্রিপেমেন্ট ডিসকাউন্ট। ব্যাংক কার্ড কিংবা বিকাশ পেমেন্টেও ক্রেতারা পাচ্ছেন মূল্যছাড়। আর উৎসব বা ক্যাম্পেইন সময়কালে তো থাকে বিশাল ছাড়। যার ফলে, সব মিলিয়ে দামের দিক থেকে লাভবান হচ্ছেন ক্রেতারাই।

আরো দেখুনঃ বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম
৪। পণ্যের বৈচিত্র্যঃ ইকমার্স ওয়েবসাইটগুলো ক্রেতাদের দিচ্ছে সর্বাধিক পরিমাণ পণ্য বৈচিত্র্য। ভিন্ন ভিন্ন রঙ, ডিজাইন কিংবা বাহারি মানের পণ্যের বিচিত্রতা কেবল ই-কমার্সেই সম্ভব।
৫। হোম ডেলিভারি সুবিধাঃ সবচেয়ে জরুরী সুবিধা, অনলাইন শপিং আপনাকে দিচ্ছে ঘরে বসেই পণ্য পাবার নিশ্চয়তা। ই-কমার্সের হোম ডেলিভারি মানুষের কাছে পণ্যের দূরত্ব ঘুচিয়েছে অনেক। হ্যাপি অনলাইন শপিং!