Royal Enfield Classic 350: Price in Bangladesh 0 252

royal enfield classic 350 price in bangladesh

The Royal Enfield Classic 350, a name synonymous with timeless design and a rich heritage, has captivated motorcycle enthusiasts in Bangladesh and around the world. This iconic cruiser is celebrated for its vintage aesthetics, dependable performance, and an affordable price point that makes it accessible to a wide range of riders. In this article, we’ll explore the Royal Enfield Classic 350’s price in Bangladesh, shedding light on why it’s a popular choice among motorcycle enthusiasts in the country.

Royal Enfield Classic 350

A Glimpse into the Royal Enfield Classic 350

Before delving into its price, let’s take a moment to appreciate what makes the Royal Enfield Classic 350 so special. This motorcycle embodies the essence of classic British motorcycles from yesteryears. Its timeless design features a teardrop-shaped fuel tank, a round headlamp, and a single saddle seat—all reminiscent of the golden age of motorcycling.

Underneath this classic exterior lies a modern 349cc, air-cooled, single-cylinder engine. This powerhouse delivers a healthy dose of torque, ensuring a smooth and commanding ride on both city streets and highways. The Classic 350 is known for its relaxed and comfortable riding posture, making it ideal for long journeys and daily commutes alike.

The Price Point in Bangladesh

One of the most attractive aspects of the Royal Enfield Classic 350 is its affordability, especially when compared to other cruiser motorcycles in its class. As of my knowledge cutoff in September 2021, the Royal Enfield Classic 350 had an approximate price range in Bangladesh of BDT 3,20,000 to BDT 3,60,000 for the standard models.

It’s important to note that motorcycle prices may vary based on factors such as location, trim level, and any customizations or accessories you may choose. Additionally, prices can change over time due to market conditions and currency fluctuations. Therefore, I recommend checking with authorized Royal Enfield dealers or the official website for the most up-to-date pricing information.

Why Choose the Royal Enfield Classic 350 in Bangladesh?

Classic Design: The Classic 350’s vintage design is a head-turner on the streets of Bangladesh. It appeals to riders who appreciate classic aesthetics and a touch of nostalgia.

Comfortable Riding: With its relaxed seating position, the Classic 350 ensures comfort during long rides, making it suitable for touring as well as daily commuting.

Dependable Performance: Royal Enfield motorcycles are known for their reliability and durability. The Classic 350 is no exception, offering a robust engine and sturdy build quality.

Affordability: Compared to other cruiser motorcycles in its category, the Classic 350 offers an excellent balance between price and performance, making it accessible to a broader range of riders.

Strong Resale Value: Royal Enfield motorcycles tend to hold their value well in the resale market, making it a good investment for motorcycle enthusiasts.

In Conclusion

The Royal Enfield Classic 350, with its classic charm and affordability, has found a special place in the hearts of motorcycle enthusiasts in Bangladesh. It combines the elegance of a bygone era with modern engineering, offering a riding experience that’s as enjoyable as it is iconic. Before purchasing, it’s advisable to visit an authorized Royal Enfield dealer to get the most accurate and current pricing information.

Please note that prices and availability may have changed since my last update in September 2021, so it’s essential to verify the current details with the manufacturer or authorized dealers before making a purchase. Regardless of the price, the Classic 350’s enduring appeal as a classic cruiser remains intact, making it a standout choice for riders in Bangladesh.

Frequently Asked Questions about Royal Enfield Classic 350:

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সেরা ৫ হুমায়ুন আহমেদের বই 0 257

হুমায়ুন আহমেদ – একটি নাম, একটি ইতিহাস। বাংলা সাহিত্যের একজন কিংবদন্তী। নাটক, গল্প, উপন্যাস, সিনেমা – যেদিকে হাত দিয়েছেন সেখানেই ফলেছে সোনা। তার প্রতিটি কাজ, প্রতিটি লেখনী মানুষের কাছে হয়েছে জনপ্রিয়, পাঠকদের কাছে হয়েছে স্বপ্নের বাস্তব। মাত্র ৬৪ বছরের জীবনে নিজেকে স্থাপন করেছেন বাংলা সাহিত্যের নতুন জগতের সম্রাট হিসেবে। আজ ব্রাকেট পোষ্টের পাঠকদের জন্য আজ থাকছে হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় ও সেরা ৫ টি বই নিয়ে আলোচনা।

০১। শংখনীল কারাগার ১৯৭৩

শঙ্খনীল কারাগার হুমায়ূন আহমেদের প্রাথমিক লেখক জীবনের একটি সমকালীন উপন্যাস। এটি বাংলাদেশ সৃষ্টির পরেই খান ব্রাদার্স, অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে প্রথম ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ১৯৯২ সালে শঙ্খনীল কারাগার নামে উপন্যাসের কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র মুক্তি পায়।

শংখনীল কারাগার

খোকা (কথক)
ওভারশীয়ার কাকু
সুহাসিনী মাসি
শিরিন সুলতানা (খোকার মা)
খোকার ছোটখালা
খোকার বড়মামা, মনসুর
আজহার হোসেন (খোকার বাবা)
আবিদ হোসেন (রাবেয়ার আসল বাবা)

কাহিনী সংক্ষেপ
উপন্যাসের মূল কথক ‘খোকা’। তারা মোট ছয় ভাইবোন। তার বড় বোন রাবেয়া। তার বাবা আর রাবেয়ার বাবা ভিন্ন দুই ব্যক্তি। রাবেয়ার মায়ের আগে এক ধনী ব্যাক্তির সাথে বিয়ে হয়েছিল। সেই পরিবারে জন্মায় রাবেয়া। রাবেয়ার বাবার সাথে রাবেয়ার মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

খোকার ছোট ভাই মন্টু লেখাপড়ায় অমনোযোগী। কিন্তু সে একজন কবি। তার চমৎকার সব কবিতা ছাপা হতো পত্রিকায়। এভাবেই দিন চলে যেতে থাকে তাদের। কাছের মানুষগুলো ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে থাকে। রাবেয়া শহরের এক মহিলা হোস্টেলের সুপারিন্টেনডেন্ট হয়ে পরিবার থেকে কিছুটা দূরে চলে যায়। মন্টুও তার সদ্য যৌবনের বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আর খোকা ক্রমেই পুরানো দিনের প্রাচুর্যের স্মৃতি অন্তরে জমিয়ে রেখে নিঃসঙ্গতার বেদনায় ডুবতে থাকে।

০২। মেঘ বলেছে যাব যাব ১৯৯৭

মেঘ বলেছে যাব যাব হুমায়ূন আহমেদের একটি উপন্যাস। ১৯৯৭ সালের বইমেলায় উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯৯৭ সালে অবসর প্রকাশনা বইটি প্রকাশ করে।

হাসান – প্রধান চরিত্র
তিতলী – হাসানের প্রেমিকা
তারেক – হাসানের ভাই
রীনা – তারেকের স্ত্রী
লাবনী – তারেকের কলিগ
লায়লা – হাসানের বোন
হিশামুদ্দিন – কোটিপতি ব্যবসায়ী
চিত্রলেখা – হিশামুদ্দিনের মেয়ে
সুমি – হাসানের ছাত্রী
শওকত – তিতলীর স্বামী।
নাদিয়া – তিতলীর বোন
হাসানের মা-বাবা, তারেকের দুই ছেলে, তিতলীর মা-বাবা, লায়ালার স্বামী

কাহিনী সংক্ষেপ
হাসান একজন বেকার। তবে পুরো পুরি নয়। কোটিপতি হিশামুদ্দিনের জীবনী সে লিখছে। প্রতি বুধবারে হিশামুদ্দিন সাহেব হাসানকে এক ঘণ্টা করে জীবনী বলবেন বলে কথা হয়েছিল। প্রতি ঘণ্টা ৬০০ টাকা হিসেবে দেওয়ার কথা থাকলেও হিশামুদ্দিন সাহেব কখনো তাকে এক ঘণ্টা সময় দেন না। তবে হিশামুদ্দিন সাহেব হাসানকে অনেক পছন্দ করতেন। একসময় তিতলীদের পাশের বাসায় থাকত হাসানের পরিবার। সেই থেকে তাদের পরিচয়। পরে একে অপরকে ভালোবেসে ফেলে তারা। তবে হাসান বেকার হওয়ায় তিতলীর বাবা মতিন সাহেব ব্যপারটা পছন্দ করত না।

চিত্রলেখা তার বাবার অফিসে বসতে শুরু করে। সেখানেও নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাকে। একসময় নেপাল বেড়াতে যায় তিতলী আর শওকত। সেখানে এক সকালে নিজেকে শওকতের কাছে বিলিয়ে দেয় তিতলী। অন্যদিকে হাসানের ব্রেন টিউমার ধরা পরে।

০৩। আমিই মিসির আলী ২০০০

হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্ট চরিত্রগুলোর মধ্যে মিসির আলি বেশ জনপ্রিয়। মিসির আলি কাহিনীগুলোও বেশ থ্রিলিং। মিসির আলি সিরিজের বইগুলোর মধ্যে আমিই মিসির আলি দ্বাদশ প্রকাশনা। একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একুশে বই মেলায় অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী হতে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

আমিই মিসির আলী ২০০০

মিসির আলি
মাহাবা বেগম লিলি
এস. সুলতান হক – লিলির স্বামী
বরকত – লিলিদের বাড়ির দারোয়ান
অশ্বিনী রায় – লিলিদের বাড়ির আদি মালিক ও সিরিয়াল কিলার
সালমা – স্যাম্পল নাম্বার ৭

কাহিনী সংক্ষেপ
মিসির আলির টেকনাফ বেড়াতে যাওয়ার কথা থাকলেও লিলির স্বামীর টোপ গিলে তিনি চলে গেলেন এস.সুলতান হকের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে সামান্য অভিভূত হলেন কিন্তু সেখানে তাকে আটকে রাখা হল। তিনিই ছিলেন সুলতানের গবেষণার সাবজেক্ট। মিসির আলিকে ভয় দেখানোর জন্য সালমা নামের এক পনের-ষোল বছর বয়সী কিশোরীকে বলি দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে মিসির আলি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করেন।

০৪। জোছনা ও জননীর গল্প ২০০৪

জোছনা ও জননীর গল্প বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে হুমায়ুন আহমেদ রচিত একটি উপন্যাস। ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে একুশে বইমেলায় বাংলাদেশের অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়।

জোছনা ও জননীর গল্প

উপন্যাসের কাল্পনিক চরিত্রসমুহ
শাহেদ – এটিও বাস্তব একটি চরিত্র তবে উপন্যাসে লেখক সত্যের সাথে কল্পনা যোগ কয়েছেন
ইরতাজউদ্দিন – শাহেদের বড় ভাই
আসমানী – শাহেদের স্ত্রী
রুনি – শাহেদের মেয়ে
গৌরাঙ্গ – শাহেদের বন্ধু
মোবারক হোসেন – নাইমুলের শ্বশুর এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর
নাইমুল – শাহেদের বন্ধু ও মুক্তিযোদ্ধা
মরিয়ম – নাইমুলের স্ত্রী ও মোবারক হোসেনের কন্যা
কলিমুল্লাহ – কবি

কাহিনী প্লট

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংঘটিত লেখকের নিজ জীবনের এবং নিকট সম্পর্কিত ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা তিনি উপন্যাসিক আঙ্গিকে এতে ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রকাশের পর থেকে বহুবার বইটি একুশে বইমেলার বেস্ট সেলিং বইয়ের তালিকায় প্রথম সারিতে ছিল।

০৫। দেয়াল ২০১২
দেয়াল লেখক হুমায়ুন আহমেদ রচিত সর্বশেষ উপন্যাস। লেককের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট ভিত্তিক উপন্যাস। এটি তার রচিত সর্বশেষ উপন্যাস যা তার মৃত্যুর ১ বছর পর অন্যপ্রকাশ প্রকাশনী থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

দেয়াল উপন্যাস

কাহিনী ও চরিত্র সংক্ষেপ

দেয়াল উপন্যাসটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের পটভুমিতে রচিত। এখানে লেখক বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে সমসাময়িকভাবে নিজেকেও উপস্থাপন করেছেন। এই উপন্যাসের কয়েকটি চরিত্র হল: অবন্তি , শফিক, সরফরাজ খান, ইসাবেলা, পীর হামিদ কুতুবি, ক্যাপ্টেন শামস, হাফেজ জাহাঙ্গীর, মেজর ফারুক, মেজর ইশতিয়াক, শেখ মুজিবুর রহমান, খালেদ মোশাররফ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, কর্নেল তাহের, মোশতাক আহমেদ, তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ডোরা রাসনা, ছানু ভাই, আওয়ামী লীগার মোজাম্মেল, মেজর নাসের, মেজর রশীদ, আন্ধা পীর, মেজর ডালিম, ভারতীয় গুপ্তচর কাও, রাধানাথ, চা বিক্রেতা কাদের মোল্লা, শামীম শিকদার প্রমুখ।

Effective Strategies to Alleviate Traffic Jams in Dhaka 0 255

dhaka city traffic jam

Traffic congestion has become a major challenge in Dhaka, the capital city of Bangladesh. The ever-increasing population, rapid urbanization, and inadequate infrastructure have led to excessive traffic jams, affecting the city’s productivity and citizens’ quality of life. In this blog, we will explore some practical strategies to help reduce traffic congestion in Dhaka.

  1. Improve Public Transportation: Enhancing the efficiency and availability of public transportation is crucial. Investments in expanding the bus and metro rail networks, introducing dedicated bus lanes, and implementing smart ticketing systems can encourage people to rely more on public transport, reducing the number of private vehicles on the road.
  2. Promote Carpooling and Ride-Sharing: Encouraging carpooling and ride-sharing initiatives can significantly reduce the number of vehicles on the road. Government and private sector partnerships, along with incentives such as reduced toll fees and dedicated carpool lanes, can motivate commuters to share rides, easing traffic congestion.
  3. Implement Traffic Management Systems: Intelligent traffic management systems can optimize traffic flow and reduce congestion. Utilizing smart traffic lights, CCTV cameras for real-time monitoring, and advanced traffic analytics can help identify congested areas and adjust signal timings accordingly, improving traffic flow and reducing bottlenecks.
  4. Develop Integrated Transport Policies: A comprehensive approach is necessary to address traffic congestion in Dhaka. Integrated transport policies that prioritize pedestrian and cycling infrastructure, promote mixed-use development, and discourage excessive private vehicle usage can help create a more sustainable and efficient transport system.
  5. Invest in Infrastructure: Expanding road networks, constructing flyovers and underpasses, and improving road conditions are vital infrastructure investments. These measures can ease traffic congestion, provide alternate routes, and ensure smoother traffic flow in high-density areas.
  6. Encourage Flexible Working Hours and Remote Work: Promoting flexible working hours and remote work options can help stagger peak-hour traffic, reducing congestion during rush periods. Employers can adopt flexible policies that allow employees to choose their working hours or work from home, reducing the number of vehicles on the road during peak traffic times.

Addressing traffic congestion in Dhaka requires a multifaceted approach involving improved public transportation, traffic management systems, infrastructure development, and behavioral changes. By implementing these strategies, we can make significant progress in reducing traffic jams, enhancing the city’s mobility, and improving the overall quality of life for its residents. It is essential for the government, private sector, and citizens to work together to achieve a sustainable and efficient transportation system in Dhaka.