ই-মেইল লেখার নিয়ম ও আদবকেতা (২০২১) 0 547

ইমেইল লেখার নিয়ম

পড়ালেখা কিংবা পেশাগত জীবনে এখন ই-মেইলের গুরুত্ব অনেক। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে ই-মেইল করা থেকে শুরু করে বৃত্তি, ফেলোশিপ, ইন্টার্নশিপসহ নানা কারণে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করতে হয়। কিন্তু অনেকেই ই-মেইল লেখার আদবকেতা জানেন না। জেনে নেই ইমেইল / অনুলিপি লেখার নিয়মঃ

১. কেমন হবে ই-মেইল ঠিকানা?

অনেকে ই-মেইল ঠিকানা তৈরির সময় কিছু শব্দ যোগ করে দেন। যেমন ‘ড্রিম বয়’, ‘ওয়ারিয়র’, ‘সুইট’, ‘ঢাকা’ ইত্যাদি। অনেকে যোগ করেন জন্মসাল। যেমন rahim1998@gmail.com। এ ধরনের ই-মেইল ঠিকানা অপেশাদার আচরণের বহিঃপ্রকাশ। ই-মেইল ঠিকানা তৈরির ক্ষেত্রে নামের আদ্যক্ষর কিংবা পেশার পরিচয় প্রকাশ করুন। যেমন আপনার নাম যদি হয় আহসান আহমেদ খান, আপনার ই-মেইল ঠিকানা হতে পারে aakhan@yahoo.com। কখনো কখনো পেশাও ই-মেইল ঠিকানার অংশ হতে পারে। যেমন hasan. writer@gmail.com বা hasan.doctor@outlook.com। ওয়েব মেইল বা বিনামূল্যের ই–মেইল সেবায় পছন্দমতো ই-মেইল ঠিকানা না পেলে নামের সঙ্গে ২ অঙ্কের সংখ্যা বসিয়ে নিতে পারেন। যেমন aakhan88@gmail.com।

২. সম্ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যাঁকেই ই-মেইল করুন না কেন, সম্ভাষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজিতে লেখার ক্ষেত্রে শুধু ‘হাই’ বা ‘হ্যালো’ লিখে শুরু করবেন না। যাঁকে ই-মেইল করছেন, তাঁর গুরুত্ব বিবেচনা করে ‘ডিয়ার স্যার’ বা ‘ডিয়ার প্রফেসর’-এভাবে লিখতে পারেন। কখনো কখনো যোগ করতে পারেন প্রাপকের নাম, যেমন ‘ডিয়ার প্রফেসর এনামুল হক’। সহকর্মী কিংবা সমবয়সী কাউকে ই-মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করুন। যদি প্রাপকের নাম না জানা থাকে, তাহলে শুধু ‘ডিয়ার স্যার’ লিখুন। বাংলায় লিখলে ‘জনাব…’ বা ‘প্রিয়…’ দিয়ে শুরু করতে পারেন।

৩. বানান-ব্যাকরণে ভুল নয়

ই-মেইল লেখার পর অবশ্যই বানান পরীক্ষা করবেন। ইংরেজি কিংবা বাংলা যে ভাষাতেই ই-মেইল লিখুন না কেন, বানান শুদ্ধ রাখতেই হবে। ব্যাকরণে ভুল করা চলবে না। ইংরেজি ব্যাকরণে যারা দুর্বল, তারা ইন্টারনেট ব্রাউজারে ‘গ্রামারলি’ কিংবা এ ধরনের অন্য কোনো বানান-ব্যাকরণ সংশোধনের ‘এক্সটেনশন’ যুক্ত করে নিতে পারেন। জিমেইল বা এ ধরনের ওয়েব মেইল সেবায় বানান পরীক্ষক রয়েছে। ইংরেজি বানান ভুল হলে সেটির নিচে লাল দাগ আসে। শব্দের ওপর মাউসের ‘ডান ক্লিক’ করে শুদ্ধ বানান বেছে নিন।

৪. ‘সাবজেক্ট লাইন’ সংক্ষিপ্ত কিন্তু দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখুন

‘সাবজেক্ট লাইন’ অর্থাৎ ই-মেইলের বিষয় দুই বা তিনটি শব্দে এমনভাবে লিখুন, যেন তা দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শুধু ‘ই-মেইল’ বা ‘হাই-হ্যালো’ লিখবেন না। যে কারণে ই-মেইল করছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায় এমনভাবে লিখুন। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলেও কম শব্দে লিখুন।

৫. ‘সিসি’ ও ‘বিসিসি’

কখনো কখনো আমরা একসঙ্গে কয়েকজনকে ই-মেইল করে থাকি। এ ক্ষেত্রে কার্বন কপি (সিসি) বা অনুলিপি কাদের দিচ্ছেন, তা অবশ্যই খেয়াল করুন। ই-মেইলের মূল প্রাপক যিনি, তাঁর নামটি ই-মেইল ঠিকানার ঘরে লিখতে হবে, আর যাদের অনুলিপি পাঠাচ্ছেন তাঁদের নাম ‘সিসি’ ঘরে লিখতে হবে। অনুলিপি আপনি কাদের পাঠাচ্ছেন, সেটা প্রাপকদের না জানাতে চাইলে বিসিসি বা ‘ব্লাইন্ড কার্বন কপি’ ঘরে ই-মেইল ঠিকানা লিখুন।

৬. ‘রিপ্লাই অল’ ক্লিক করার আগে ভাবুন

আমরা অনেক সময় এমন ই-মেইল পেয়ে থাকি, যেখানে সিসি বা অনুলিপি হিসেবে আরও অনেকের ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে অনেকে কোনো কিছু না ভেবেই ‘রিপ্লাই অল’ চাপেন। অর্থাৎ এর মাধ্যমে ই-মেইলে সম্পৃক্ত সবার কাছেই উত্তরটা পৌঁছে যায়। কিন্তু আপনি হয়তো চাইছেন, ই-মেইলটি যিনি পাঠিয়েছেন, শুধু তাঁর কাছেই উত্তর যাক। এ ক্ষেত্রে ‘রিপ্লাই অল’ সিলেক্ট করা ঠিক হবে না। আপনি আপনার উত্তর ই-মেইলের সঙ্গে সংযুক্ত সবাইকেই জানাতে চান কি না, সেটা ভাবুন।

৭. অল্প কথায় লিখুন

পেশাজীবনে চার থেকে ছয় বাক্যের মধ্যে ই-মেইল লেখার চর্চা করুন। বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা এমনটাই উপদেশ দেন। বলা হয়, আপনি যদি চার থেকে ছয়টি বাক্যের মধ্যে সহজভাবে লিখে প্রকাশ করতে না পারেন, তাহলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখেও আপনার বক্তব্য বোঝাতে পারবেন না। মুঠোফোনে যেমন ১৬০ শব্দ, আবার টুইটারে ১৪০ শব্দের মধ্যে মনের ভাব তুলে ধরতে হয়, সেভাবে চার থেকে ছয় বাক্যে ই-মেইল লেখার চর্চা করুন। বড় আকারের ই-মেইল লিখতে হলে লেখার শুরুতেই প্রাপককে বিষয়টা জানিয়ে নিন। গুরুত্বপূর্ণ বাক্যগুলো ‘আন্ডারলাইন’ করে দিন। আবার বেশি ছোট ই-মেইল লেখাও ভদ্রতার পরিচয় নয়। ই-মেইলের উত্তরে শুধু ‘ধন্যবাদ’ কিংবা ‘গট ইট’ (পেয়েছি), এমন কিছু লিখবেন না। অন্তত দুই থেকে তিনটি বাক্য ব্যবহার করে উত্তর দিন।

৮. ইন্টারনেটের ‘চলতি’ ভাষা এড়িয়ে চলুন

ই-মেইল লেখার সময় বিনা প্রয়োজনে কোনো বাক্য যোগ করবেন না। মেসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় আমরা যেমন সংক্ষিপ্ত আকারে লিখি, যেমন ‘অ্যাসাপ’, ‘বিআরবি’, ‘এলওএল’—এ ধরনের শব্দ না লেখাই ভালো। পূর্ণ শব্দ লিখুন। You লিখতে গিয়ে সংক্ষেপে U লিখবেন, এমনটা যেন না হয়।

৯. ই-স্বাক্ষর যুক্ত করুন ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

ই-মেইল সব সময় পরিচ্ছন্ন ও সাবলীল ভাষায় লিখুন। যে বক্তব্য প্রকাশ করতে চান, তা স্পষ্ট শব্দ ও বাক্যে লিখুন। কঠিন শব্দ বা অতি দীর্ঘ বাক্য ব্যবহার করে প্রাপকের মনোযোগ নষ্ট করবেন না। ই-মেইল লেখা শেষে শুভেচ্ছা জানিয়ে দু-তিনটি শব্দ অবশ্যই লিখবেন। ই-মেইলের শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের নাম ও পরিচয়ের তথ্য যুক্ত করতে পারেন। ই-স্বাক্ষর যোগ করার উপায়ও ই-মেইলে আছে। নাম, পরিচয়, প্রয়োজনে মুঠোফোন নম্বর ‘ই-স্বাক্ষর’ হিসেবে যুক্ত করুন। ‘ই-স্বাক্ষর’ চার লাইনের বেশি না হওয়াই ভালো।

১০. ফাইল সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখুন

ই-মেইলে ‘অ্যাটাচড ফাইল’ পাঠানোর সময় সতর্ক থাকুন। দুই বা তিনটির বেশি ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে গুগল ড্রাইভ কিংবা মাইক্রোসফট আউটলুকের ক্ষেত্রে ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করুন। আপনার ড্রাইভে প্রাপকের প্রবেশাধিকার (একসেস) আছে কি না, সেটা নিশ্চিত করুন। অনেকে ই-মেইলের সঙ্গে একগাদা ওয়েবসাইটের লিংক যোগ করে দেন। এ ধরনের আচরণ প্রাপককে বিরক্ত করতে পারে। খুব প্রয়োজন না হলে এমনটা না করাই শ্রেয়।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

টিপসঃ অনলাইন শপিং হোক নিরাপদ ও সুরক্ষিত 0 395

নিরাপদ অনলাইন শপিং

নিরাপদ শপিং

একুশ শতকে প্রযুক্তির কাছ থেকে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি অনলাইন শপিং সুবিধা। আর বর্তমান সময়ে সারা পৃথিবী জুড়ে অনলাইন শপিং করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর। অনলাইন শপিং আপনাকে দিবে ঘরে বসে রোদ, বৃষ্টি আর ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে দোকান ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করার বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা থেকে চির মুক্তি। ২৪ ঘন্টার যে কোন সময় আপনার মোবাইল কিংবা কম্পিউটার দিয়েই পণ্য পছন্দ করে অর্ডার করে ঘরেই পেতে পারেন সরাসরি হোম ডেলিভারি। তবে নিরাপদে অনলাইন শপিং করতে গেলে আপনাকে জানতে হবে বেশ কিছু কথা, থাকতে হবে কিছুটা সতর্কও।

দেখে নেয়া যাক কিভাবে আপনার অনলাইন শপিং হবে ১০০% নিরাপদ ও সুরক্ষিত

  • ইউআরএল টি “https” কিনা এবং সেই সাথে এড্রেস বারের প্যাডলক আইকন দেখে নিন। আপনার ভিজিট করা সাইটটি নিরাপদ কিনা এ সম্পর্কিত তথ্য দিবে এসব আইকন।
  • সবসময় দারাজ, আলীবাবা কিংবা আলী এক্সপ্রেস এর মত বিশ্বমানের সাইট থেকে শপিং করা উচিত, যাতে আপনি সুনিশ্চিত থাকতে পারেন যাতে আপনি কোন সমস্যায় না পড়েন। সঠিক ভাবে ইউআরএল লিখুন। “যোগাযোগ করুন” কিংবা ‘Contact us” অংশ চেক করে দেখুন যে, কোম্পানীর নাম, ঠিকানা ও কল সেন্টার নম্বর ঠিক আছে কিনা।

  • কোন পণ্যের দাম যদি একেবারে হিসেবের থেকেও কম মনে হয়, সেক্ষেত্রে একটু সচেতনতার সাথে ভেবে শপিং করা উচিত। এক্ষেত্রে কল সেন্টারে ফোন করে কিংবা ই-মেইল করে নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।
  • পপ-আপ অ্যাডে ক্লিক না করা ভালো। কারণ এটা অনেক সময় আপনাকে ক্ষতিকর কোন সাইটে রি-ডিরেক্ট করে দিতে পারে।
  • একেবারে ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে শেয়ার না করা ভালো, যেমন সামাজিক সিকিউরিটি নাম্বার ইত্যাদি।
  • ওয়েবসাইটটির ফেরত নীতিমালা ও অনলাইন শপিং এর খরচ সম্পর্কিত তথ্যাদি পরীক্ষা করে নিন।
  • প্রতারণা এড়াতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সবসময় অনলাইনে পণ্য ক্রয় করা উচিত। বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডেই স্টেটমেন্ট পাবার ৩০ দিনের মধ্যে কেনাকাটার সময় প্রতারণা হলে রিপোর্ট করার সুবিধা থাকে।
  • হাই এন্ড বিলাসবহুল পণ্যের ক্ষেত্রে, ভাল পণ্য হোম ডেলিভারির নিশ্চয়তা পেতে সর্বদা আসল/অফিশিয়াল রিটেইলার বা সেলার থেকে ক্রয় করুন, থার্ড পার্টি(Third Party) থেকে নয়। এমনটি হলে খারাপ পণ্য পাবার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।
  • কোন অনলাইন রিটেইলারদের সাথে যখন একাউন্ট তৈরি করবেন তখন অবশ্যই শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। প্রত্যেক একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভিন্ন ভিন্ন হওয়া উচিত। এজন্য দেখে নিতে পারেন অনলাইনে কার্ড পেমেন্ট নিরাপদ কেন এবং কোন প্রকার অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা লেনদেন কখনই পাবলিক ওয়াই-ফাই কানেকশনে করবেন না।

  • ই-মেইল থেকে আসা কোন লিংকে ক্লিক করার আগে সাবধান হোন। অনেক সময় এগুলো ভয়ানক হতে পারে। সন্দেহ হলে ক্ষতিকর লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত এসব লিঙ্ক থেকেই ব্যক্তিগত একাউন্টের তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা ব্যাংকিং লেনদেন ও কার্ড নাম্বার হাতছাড়া হয়ে যায়। অথবা এমন কোন লিংকে রি-ডিরেক্ট হয়ে চলে যেতে পারে, যেখান থেকে পাসওয়ার্ড চিরতরে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এমন কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে সাইটটি নতুন উইন্ডো ওপেন করে “Contact Us” পোর্টালে গিয়ে ই-মেইল পাঠিয়ে রাখুন।

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম 0 308

বিকাশ কি?

বিকাশ(bKash) বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং(Mobile Banking) মাধ্যম। দেখে নিন কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র(NID) দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন মিনিটেই। এই কাজটি সহজে করতে পারবেন ঘরে বসে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই। বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারি। তাছাড়া আরো অনেক টাকা লেনদেনের কাজ করতে পারবেন বিকাশ ব্যবহার করে ঘরে বসেই। এতদিন বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য সবাইকে এজেন্টের কাছে যেতে হতো কিন্তু বিকাশের নতুন অ্যাপ এর নতুন আপডেট এর মাধ্যমে ঘরে বসেই এক মিনিটের মধ্যেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলতে পারবেন সবচেয়ে সহজে এবং সবচেয়ে মজার বিষয় হল কাজটি করতে আপনাকে একবারের জন্যেও বিকাশ এজেন্টের কাছে যেতে হবে না।

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম কি?

বিকাশ একাউন্ট খোলা একদম সহজ। দেখে নেয়া যাক কিভাবে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন ঘরে বসেই। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ অ্যাপটিকে ইন্সটল করে নিতে হবে। তারপর –

প্রথম ধাপঃ লগইন/রেজিষ্ট্রেশন এর মধ্যে ক্লিক করুন
দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার ১১ ডিজিটের মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন
তৃতীয় ধাপঃ অপারেটর বেছে নিন, ভেরিফিকেশন কোড কনফার্ম করুন
চতুর্থ ধাপঃ অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এর শর্তাবলী পড়ুন এবং নিয়ম ও শর্তসমূহ বাটনে ক্লিক করুন
পঞ্চম ধাপঃ তারপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মেনে চলুন

১ আপনার NID এর ছবি তুলুন
২ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন
৩ নিজের চেহারার ছবি তুলুন

ব্যস, সবকিছু সঠিকভাবে সাবমিট করে দিলে পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার বিকাশ একাউন্ট সচল হয়ে যাবে।

Most Popular Topics

Editor Picks