অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট – বাংলাদেশের সেরা ১১ 0 7086

অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট

অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট কি?

অনলাইনে কেনাকাটা করার সহজ ও সেরা মাধ্যম হল অনলাইন শপিং সাইট(Online shopping sites)। একবিংশ শতাব্দীতে আজ সারা পৃথিবী ব্যাপী বেশ জনপ্রিয় কেনাকাটার মাধ্যম হল অনলাইন শপ। সময় বাঁচিয়ে, রোদ কিংবা জ্যাম এড়িয়ে ঘরে বসে বাজার দরের চেয়ে কম দামে যদি পণ্য অর্ডার করে যদি হোম ডেলিভারি পাওয়া যায়, তবে সে সুযোগ কে নিতে চাইবে না? আর কেবল সাধারণ পণ্য না, যদি সুযোগ থাকে মুভি টিকেট, বিমান-রেল-বাস-লঞ্চের টিকেট লাইনে না দাঁড়িয়ে ঘরে বসে কাটার, তবে যে কেউই তো সেই সুযোগ নিতে চাইতেই পারে!

এবার জেনে নেয়া যাক দেশের সেরা ১১ টি জনপ্রিয় অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট সম্পর্কে

১। দারাজ বাংলাদেশ

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত দারাজ বাংলাদেশ(Daraz BD) এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং কোম্পানি আলিবাবার অঙ্গ সংগঠন। দীর্ঘ সময় ধরে দারাজ বাংলাদেশী গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আস্থাভাজন নাম। দারাজে পাওয়া যায় না এমন পণ্য নেই। আর তাদের তো সুনাম রয়েছে সবচেয়ে দ্রুতগামী ডেলিভারি করার। অফার, ডিল, ডিসকাউন্ট, ডেলিভারি সময়, পণ্যের বৈচিত্র্যতা, অরিজিনাল ব্র্যান্ডের পণ্য সহ বাহারি সুবিধায় দারাজ থাকবে তালিকার ১ নম্বরে।

২। ইভ্যালি ডট কম

দেশীয় কোম্পানী ইভ্যালি(Evaly) ২০১৯ সাথে প্রতিষ্ঠিত হয়েই অবিশ্বাস্য অফার দিয়ে গ্রাহকদের খুব কাছে পৌঁছতে পেরেছে। যদিও তাদের পণ্য ডেলিভারি করতে অন্য প্রতিষ্ঠান গুলোর চেয়ে একটু বেশি সময় লাগে। কিন্তু এ কথা সত্য ইভ্যালি অফার এর মত এত ক্রেজি অফার দিতে পারেনি কেউ বাংলাদেশে। তাই কেবল অফার দিয়েই ক্রেতাদের ধরে রাখতে একটুও বেগ পেতে হয়নি ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি’র। ই-ভ্যালি থাকছে তালিকার ২ নম্বরে।

৩। বিকাশ

বিকাশ(bKash) বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল ফোন ভিত্তিক টাকা স্থানান্তর (এমএফএস) সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান। এটি ব্যাঙ্ক একাউন্টবিহীন ব্যক্তিদের আর্থিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চালু করা হয়েছিল। আর অনলাইন পেমেন্ট বা অনলাইন শপিং এর সবচেয়ে বড় মাধ্যম এখন বিকাশ। নতুন গ্রাহকদের জন্য থাকছে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম

৪। আজকের ডিল

আজকের ডিল(AjkerDeal) বাংলাদেশে ই-কমার্স শিল্প শুরুর প্রথম দিকের প্রতিষ্ঠান। বৃহৎ চাকুরি খোঁজার পোর্টাল বিডিজবসের সহ প্রতিষ্ঠান আজকের ডিল ডট কম। প্রায় সকল ক্যাটেগরির পণ্য অনলাইনে কেনাকাটার অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন শপ আজকের ডিল।

৫। উবার বাংলাদেশ

উবার (Uber) মোবাইল স্মার্টফোনের অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি সেবার নেটওয়ার্ক। আমেরিকা ভিত্তিক অনলাইন পরিবহন নেটওয়ার্ক কোম্পানি উবারের কোন নিজস্ব ট্যাক্সি নেই। উবারের কিছু নির্ণায়ক যোগ্যতা বা শর্ত পূরণ করে ব্যক্তিগত গাড়ি আছে এমন যে কোন ব্যক্তিই উবার টিমের সাথে যুক্ত হতে পারেন। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও অনলাইনের মাধ্যমে গাড়ি সেবা নেয়ার সুবিধা এখানেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

৬। সহজ ডট কম

সহজ ডট কম(Shohoz) দেশীয় অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত আরেকটি জনপ্রিয় অনলাইন প্রতিষ্ঠান। রাইড সেবা, ফুড সেবা থেকে শুরু করে লঞ্চ কেবিন কিংবা বাস টিকেটিং – গ্রাহকরা সব কিছুই পাবেন সহজ থেকে।

৭। চাল ডাল

চালডাল ডট কম(Chaldal) বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গ্রোসারি অনলাইন শপ। ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত চালডালে ফ্রেশ ফুড, সবজী, মাংস, ডেইরি, গ্রোসারি, ব্যক্তিগত পণ্য থেকে গৃহস্থালি পণ্য সবই হোম ডেলিভারি করে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এখনো ঢাকার বাইরে তাদের সেবা প্রদান শুরু করতে পারেনি।

৮। বিডি টিকেটস

ডমেস্টিক বাস, গ্রীন লাইন ওয়াটার বাস, বিমান টিকেট কাটার সবচেয়ে সহজ উপায় হল বিডি টিকেটস ডট কম। স্টেশনের লম্বা লাইন এড়িয়ে এখন ঘরে বসেই ডিসকাউন্ট সহ অনলাইন টিকেটিং সেবা দিচ্ছে বিডি টিকেটস(BDTickets)।

৯। পিকাবু ডট কম

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত পিকাবু ডট কম(Pickaboo) মোবাইল ফোন, গ্যাজেট, কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স ও ইলেক্ট্রনিকস এর জন্য বেশ জনপ্রিয় অনলাইন শপ। দ্রুতগতির হোম ডেলিভারির জন্য পিকাবু বেশ খ্যাত।

১০। মোনার্ক মার্ট

মোনার্ক মার্ট(Monarch Mart) বাংলাদেশের অনলাইন শপিং খাতের সর্বশেষ সংযোজন। ২০২২ সালে আবির্ভুত হয়েই বেশ সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশী গ্রাহকদের মাঝে। এখান থকে প্রায় সকল ক্যাটেগরির পণ্যই অনলাইনে কেনাকাটা করা যায়। সাকিব আল হাসান মোনার্ক মার্টের চেয়ারম্যান।

১১। পাঠাও

পাঠাও(Pathao) অনলাইনের মাধ্যমে রাইডশেয়ারিং সেবাদানকারী একটি বাংলাদেশী কোম্পানি। এটি মূলত বাংলাদেশের প্রধান ৩ শহর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে তাদের রাইড শেয়ারিং সেবা দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের বাইরে নেপালেও পাঠাও সেবা দিয়ে থাকে।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ই-মেইল লেখার নিয়ম ও আদবকেতা 0 5112

ইমেইল লেখার নিয়ম

পড়ালেখা কিংবা পেশাগত জীবনে এখন ই-মেইলের গুরুত্ব অনেক। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে ই-মেইল করা থেকে শুরু করে বৃত্তি, ফেলোশিপ, ইন্টার্নশিপসহ নানা কারণে আমাদের ই-মেইলে যোগাযোগ করতে হয়। কিন্তু অনেকেই ই-মেইল লেখার আদবকেতা জানেন না। জেনে নেই ইমেইল / অনুলিপি লেখার নিয়মঃ

১. কেমন হবে ই-মেইল ঠিকানা?

অনেকে ই-মেইল ঠিকানা তৈরির সময় কিছু শব্দ যোগ করে দেন। যেমন ‘ড্রিম বয়’, ‘ওয়ারিয়র’, ‘সুইট’, ‘ঢাকা’ ইত্যাদি। অনেকে যোগ করেন জন্মসাল। যেমন rahim1998@gmail.com। এ ধরনের ই-মেইল ঠিকানা অপেশাদার আচরণের বহিঃপ্রকাশ। ই-মেইল ঠিকানা তৈরির ক্ষেত্রে নামের আদ্যক্ষর কিংবা পেশার পরিচয় প্রকাশ করুন। যেমন আপনার নাম যদি হয় আহসান আহমেদ খান, আপনার ই-মেইল ঠিকানা হতে পারে aakhan@yahoo.com। কখনো কখনো পেশাও ই-মেইল ঠিকানার অংশ হতে পারে। যেমন hasan. writer@gmail.com বা hasan.doctor@outlook.com। ওয়েব মেইল বা বিনামূল্যের ই–মেইল সেবায় পছন্দমতো ই-মেইল ঠিকানা না পেলে নামের সঙ্গে ২ অঙ্কের সংখ্যা বসিয়ে নিতে পারেন। যেমন aakhan88@gmail.com।

২. সম্ভাষণ গুরুত্বপূর্ণ

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কিংবা অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যাঁকেই ই-মেইল করুন না কেন, সম্ভাষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজিতে লেখার ক্ষেত্রে শুধু ‘হাই’ বা ‘হ্যালো’ লিখে শুরু করবেন না। যাঁকে ই-মেইল করছেন, তাঁর গুরুত্ব বিবেচনা করে ‘ডিয়ার স্যার’ বা ‘ডিয়ার প্রফেসর’-এভাবে লিখতে পারেন। কখনো কখনো যোগ করতে পারেন প্রাপকের নাম, যেমন ‘ডিয়ার প্রফেসর এনামুল হক’। সহকর্মী কিংবা সমবয়সী কাউকে ই-মেইল পাঠানোর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম অনুসরণ করুন। যদি প্রাপকের নাম না জানা থাকে, তাহলে শুধু ‘ডিয়ার স্যার’ লিখুন। বাংলায় লিখলে ‘জনাব…’ বা ‘প্রিয়…’ দিয়ে শুরু করতে পারেন।

৩. বানান-ব্যাকরণে ভুল নয়

ই-মেইল লেখার পর অবশ্যই বানান পরীক্ষা করবেন। ইংরেজি কিংবা বাংলা যে ভাষাতেই ই-মেইল লিখুন না কেন, বানান শুদ্ধ রাখতেই হবে। ব্যাকরণে ভুল করা চলবে না। ইংরেজি ব্যাকরণে যারা দুর্বল, তারা ইন্টারনেট ব্রাউজারে ‘গ্রামারলি’ কিংবা এ ধরনের অন্য কোনো বানান-ব্যাকরণ সংশোধনের ‘এক্সটেনশন’ যুক্ত করে নিতে পারেন। জিমেইল বা এ ধরনের ওয়েব মেইল সেবায় বানান পরীক্ষক রয়েছে। ইংরেজি বানান ভুল হলে সেটির নিচে লাল দাগ আসে। শব্দের ওপর মাউসের ‘ডান ক্লিক’ করে শুদ্ধ বানান বেছে নিন।

৪. ‘সাবজেক্ট লাইন’ সংক্ষিপ্ত কিন্তু দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখুন

‘সাবজেক্ট লাইন’ অর্থাৎ ই-মেইলের বিষয় দুই বা তিনটি শব্দে এমনভাবে লিখুন, যেন তা দৃষ্টি আকর্ষণ করে। শুধু ‘ই-মেইল’ বা ‘হাই-হ্যালো’ লিখবেন না। যে কারণে ই-মেইল করছেন, তা স্পষ্ট বোঝা যায় এমনভাবে লিখুন। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলেও কম শব্দে লিখুন।

৫. ‘সিসি’ ও ‘বিসিসি’

কখনো কখনো আমরা একসঙ্গে কয়েকজনকে ই-মেইল করে থাকি। এ ক্ষেত্রে কার্বন কপি (সিসি) বা অনুলিপি কাদের দিচ্ছেন, তা অবশ্যই খেয়াল করুন। ই-মেইলের মূল প্রাপক যিনি, তাঁর নামটি ই-মেইল ঠিকানার ঘরে লিখতে হবে, আর যাদের অনুলিপি পাঠাচ্ছেন তাঁদের নাম ‘সিসি’ ঘরে লিখতে হবে। অনুলিপি আপনি কাদের পাঠাচ্ছেন, সেটা প্রাপকদের না জানাতে চাইলে বিসিসি বা ‘ব্লাইন্ড কার্বন কপি’ ঘরে ই-মেইল ঠিকানা লিখুন।

৬. ‘রিপ্লাই অল’ ক্লিক করার আগে ভাবুন

আমরা অনেক সময় এমন ই-মেইল পেয়ে থাকি, যেখানে সিসি বা অনুলিপি হিসেবে আরও অনেকের ই-মেইল ঠিকানা যুক্ত থাকে। এ ক্ষেত্রে অনেকে কোনো কিছু না ভেবেই ‘রিপ্লাই অল’ চাপেন। অর্থাৎ এর মাধ্যমে ই-মেইলে সম্পৃক্ত সবার কাছেই উত্তরটা পৌঁছে যায়। কিন্তু আপনি হয়তো চাইছেন, ই-মেইলটি যিনি পাঠিয়েছেন, শুধু তাঁর কাছেই উত্তর যাক। এ ক্ষেত্রে ‘রিপ্লাই অল’ সিলেক্ট করা ঠিক হবে না। আপনি আপনার উত্তর ই-মেইলের সঙ্গে সংযুক্ত সবাইকেই জানাতে চান কি না, সেটা ভাবুন।

৭. অল্প কথায় লিখুন

পেশাজীবনে চার থেকে ছয় বাক্যের মধ্যে ই-মেইল লেখার চর্চা করুন। বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা এমনটাই উপদেশ দেন। বলা হয়, আপনি যদি চার থেকে ছয়টি বাক্যের মধ্যে সহজভাবে লিখে প্রকাশ করতে না পারেন, তাহলে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখেও আপনার বক্তব্য বোঝাতে পারবেন না। মুঠোফোনে যেমন ১৬০ শব্দ, আবার টুইটারে ১৪০ শব্দের মধ্যে মনের ভাব তুলে ধরতে হয়, সেভাবে চার থেকে ছয় বাক্যে ই-মেইল লেখার চর্চা করুন। বড় আকারের ই-মেইল লিখতে হলে লেখার শুরুতেই প্রাপককে বিষয়টা জানিয়ে নিন। গুরুত্বপূর্ণ বাক্যগুলো ‘আন্ডারলাইন’ করে দিন। আবার বেশি ছোট ই-মেইল লেখাও ভদ্রতার পরিচয় নয়। ই-মেইলের উত্তরে শুধু ‘ধন্যবাদ’ কিংবা ‘গট ইট’ (পেয়েছি), এমন কিছু লিখবেন না। অন্তত দুই থেকে তিনটি বাক্য ব্যবহার করে উত্তর দিন।

৮. ইন্টারনেটের ‘চলতি’ ভাষা এড়িয়ে চলুন

ই-মেইল লেখার সময় বিনা প্রয়োজনে কোনো বাক্য যোগ করবেন না। মেসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় আমরা যেমন সংক্ষিপ্ত আকারে লিখি, যেমন ‘অ্যাসাপ’, ‘বিআরবি’, ‘এলওএল’—এ ধরনের শব্দ না লেখাই ভালো। পূর্ণ শব্দ লিখুন। You লিখতে গিয়ে সংক্ষেপে U লিখবেন, এমনটা যেন না হয়।

৯. ই-স্বাক্ষর যুক্ত করুন ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন

ই-মেইল সব সময় পরিচ্ছন্ন ও সাবলীল ভাষায় লিখুন। যে বক্তব্য প্রকাশ করতে চান, তা স্পষ্ট শব্দ ও বাক্যে লিখুন। কঠিন শব্দ বা অতি দীর্ঘ বাক্য ব্যবহার করে প্রাপকের মনোযোগ নষ্ট করবেন না। ই-মেইল লেখা শেষে শুভেচ্ছা জানিয়ে দু-তিনটি শব্দ অবশ্যই লিখবেন। ই-মেইলের শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের নাম ও পরিচয়ের তথ্য যুক্ত করতে পারেন। ই-স্বাক্ষর যোগ করার উপায়ও ই-মেইলে আছে। নাম, পরিচয়, প্রয়োজনে মুঠোফোন নম্বর ‘ই-স্বাক্ষর’ হিসেবে যুক্ত করুন। ‘ই-স্বাক্ষর’ চার লাইনের বেশি না হওয়াই ভালো।

১০. ফাইল সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখুন

ই-মেইলে ‘অ্যাটাচড ফাইল’ পাঠানোর সময় সতর্ক থাকুন। দুই বা তিনটির বেশি ফাইল পাঠানোর ক্ষেত্রে গুগল ড্রাইভ কিংবা মাইক্রোসফট আউটলুকের ক্ষেত্রে ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করুন। আপনার ড্রাইভে প্রাপকের প্রবেশাধিকার (একসেস) আছে কি না, সেটা নিশ্চিত করুন। অনেকে ই-মেইলের সঙ্গে একগাদা ওয়েবসাইটের লিংক যোগ করে দেন। এ ধরনের আচরণ প্রাপককে বিরক্ত করতে পারে। খুব প্রয়োজন না হলে এমনটা না করাই শ্রেয়।

ক্রিকেট বিশ্বকাপ – চ্যাম্পিয়ন তালিকা ১৯৭৫ – ২০২৩ 0 1549

ক্রিকেট বিশ্বকাপ

ক্রিকেট বিশ্বকাপ মূলত আইসিসি র সবচেয়ে আকর্ষনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ টুর্ণামেন্ট। ৫০ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সবচেয়ে মর্যাদার লড়াই। ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর কাছে ৫০ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের এ আসরটিকে সর্বাধিক আগ্রহের জায়গা। ১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এ আসরটির চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলগুলোর তালিকা দেখে নেয়া যাক এক নজরে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ২০২৩ সালের ওয়ানডে ফরম্যাটের আসর বসেছে এশিয়ার দেশ ভারতে।

ক্রিকেট বিশ্বকাপের রোল অফ অনার

সালভেন্যুচ্যাম্পিয়নরানার আপ
১৯৭৫ইংল্যান্ডওয়েস্ট ইন্ডিজঅস্ট্রেলিয়া
১৯৭৯ইংল্যান্ডওয়েস্ট ইন্ডিজইংল্যান্ড
১৯৮৩ইংল্যান্ড, ওয়েলসভারতওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯৮৭ভারত, পাকিস্তানঅস্ট্রেলিয়াইংল্যান্ড
১৯৯২অস্ট্রেলিয়াপাকিস্তানইংল্যান্ড
১৯৯৬পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলংকাশ্রীলংকাঅস্ট্রেলিয়া
১৯৯৯ইংল্যান্ডঅস্ট্রেলিয়াপাকিস্তান
২০০৩দক্ষিণ আফ্রিকাঅস্ট্রেলিয়াভারত
২০০৭ওয়েস্ট ইন্ডিজঅস্ট্রেলিয়াশ্রীলংকা
২০১১বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকাভারতশ্রীলংকা
২০১৫অস্ট্রেলিয়াঅস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড
২০১৯ইংল্যান্ড, ওয়েলসইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড
২০২৩ভারতঅস্ট্রেলিয়াভারত

ক্রিকেট বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত ৬ বার বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হবার গৌরব অর্জন করেছে। এর পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারত ২ বার করে বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এছাড়াও পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ইংল্যান্ড ১ বার করে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এ পর্যন্ত। বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিন আফ্রিকা এখনো পর্যন্ত ওয়ানডে বিশ্বকাপ এর চ্যাম্পিয়ন হতে পারে নি।

আরো পড়ুনঃ << বিশ্বকাপ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন তালিকা >>

<<টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বিজয়ীদের তালিকা>>

<< ওয়ানডে বিশ্বকাপ – ম্যান অফ দ্যা ফাইনাল তালিকা >>