ভালোবাসা দিবসে ঘুরতে যাওয়ার ৫টি সেরা জায়গা 0 536

“চলো না ঘুরে আসি অজানাতে….”- না, এই আধুনিক সময়ে যখন সবাই আমরা লোকেশন ট্র্যাকার কিংবা জিপিএস এর আওতায়, তখন অজানাতে ঘুরতে যাওয়াটা অনেকটা স্বপ্নের মতোই। এই ব্যস্ত নগরী থেকে একটু স্বস্তি পেতে প্রিয় মানুষটিকে নিয়ে এই ভালবাসা দিবসে ঘোরাঘুরি করে আসুন দূরে কোথাও।  নিশ্চয়ই সবার মতো আপনিও চিন্তিত কোথায় যাওয়া যায় ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে এই ভ্যালেন্টাইনস ডে(Valentines Day)-তে? আপনাকে চিন্তামুক্ত করে দিতে আমাদের আজকের আয়োজন “ভালোবাসা দিবসে ঘুরতে যাওয়ার ৫টি বিশেষ স্থান”। জেনে নিন এখনি:

১। কক্সবাজার

দেশের মধ্যে ঘুরতে যাওয়ার সর্বোত্তম দর্শনীয় জায়গা হলো কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। ভালোবাসার মানুষটিক নিয়ে দেখতে পারেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। আর যদি সমুদ্র দেখার পাশাপাশি কম খরচে পাওয়া যায় একটুখানি বিলাসিতা তাহলে মন্দ কি। বিভিন্ন অনলাইন শপ ও ট্রাভেল প্রতিষ্ঠান দিচ্ছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে সব থেকে সর্বোত্তম কক্সবাজার ট্যুর প্যাকেজ।

২। নেপাল

যারা পাহাড় ভালোবাসেন তাদের জন্য নেপাল অন্যতম। হিমালয়ের হাতছানি আর পুরোনো বৌদ্ধ সভ্যতা দুটোই আপনাকে আনন্দিত করে তুলবে। ভালোবাসার মানুষটির সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন নেপালি পোশাকে। আগাম বুকিং অনেক সময় আপনার ভ্রমণকে স্বাচ্ছন্দ এবং সামর্থ্যের মধ্যে এনে দিচ্ছে খুব সহজেই। আপনার জানার সুবিধার্থে বলছি, নেপাল সরকার বাংলাদেশী নাগরিকদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সরবরাহ করে থাকে, অর্থাৎ আগে থেকে এমব্যাসি তে ঘোরার কোন দরকার নেই।

৩। ভুটান

ভ্রমণ স্থানগুলোর মধ্যে আরেকটি বিশেষ দেশ হলো ভুটান। সর্পিল রাস্তা আর পাহাড়ে ঘেরা এই দেশটির মানুষজন ভীষণ ভালো এবং অতিথিপরায়ণ। বাংলাদেশের প্রতিবেশী এই দেশটিতে যেতে তেমন একটা খরচ হয় না, এমনকি বাসে করেও ঢাকা থেকে ভ্রমণ করা যায় ধাপে ধাপে। এখানে রয়েছে বিভিন্ন জাদুঘর, আকর্ষনীয় পার্ক এবং ঐতিহাসিক কিছু স্থাপনা।

৪। মালদ্বীপ

রোমান্টিক সমুদ্র সৈকত হিসেবে সবার প্রথমে যে নামটা মাথায় আসে টা হলো মালদ্বীপ। চারিদিক নীলাভ জলরাশি আর মাঝে এক টুকরো স্বর্গরাজ্য। কাপল হানিমুন, ফ্যামিলি ট্যুর কিংবা ভ্যালেন্টাইন্স ডে – উপলক্ষ যাই হোক না কেন ভালোবাসা উদযাপনের অন্যতম পারফেক্ট জায়গা এটি। সমুদ্রের পাড়ে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার এর কথা তো উল্লেখ না করাই ভাল।

৫। থাইল্যান্ড

পাতায়া কিংবা ব্যাংকক যাই হোক আপনার পছন্দ, এই কথা মানতেই হবে যে সকল ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে থাইল্যান্ড হলো বহুল আকাঙ্খিত দেশ। এখানে সমুদ্রের হাতছানি এড়ানো দায়। আর এই ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে ঘোরার অন্যতম জায়গায় হতে পারে পাতায়া এবং ব্যাংকক।

তো আপনি পরিবার নিয়ে যাচ্ছেন কোথায়? আপনার পছন্দ আমাদের জানিয়ে কমেন্ট করুন কমেন্ট বক্সে।

আরো পড়ুনঃ যে ৫টি ভুল হানিমুনে গিয়ে প্রত্যেক পুরুষই করেন!

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে যেসব খাবার 0 239

কোলেস্টেরল কমানোর ঘরোয়া উপায়

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ ও কালো চা রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তের জমাট বেঁধে যাওয়া প্রতিহত করে। সবুজ চায়ের কেটচিনস এবং কালো চায়ের থিফলেভিনস নামের উপাদান এভাবেই দেহকে বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখে।

বেশি কোলেস্টেরল মানেই উচ্চ রক্তচাপ। এ কারণে দুটোকেই নীরব ঘাতক বলা হয়। নীরব বলার কারণ হলো, আপনি হয়তো টেরও পাবেন না যে ভয়ংকর মাত্রায় কোলেস্টেরল নিয়ে ঘুরছেন আপনি। অগোচরে ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। তাই নিজ উদ্যোগেই নিজের কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।

ঝুঁকি

কোলেস্টেরলের আধিক্যজনিত কারণে হার্ট অ্যাটাক, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ ও বুকে ব্যথার মতো সমস্যা প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। এ জন্য ওষুধপথ্যসহ জীবনযাপন পরিবর্তনের নানা পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

প্রতিরোধ

কাজেই আগে থেকে প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণই বুদ্ধিমানের কাজ। সচেতন হয়ে কোলেস্টেরলের আনাগোনা ঠেকিয়ে রাখতে হবে। সুষম খাদ্য তালিকাকে অবহেলা করা যাবে না।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখবে যেসব খাবার

জইচূর্ণ বা ওটমিল চেনেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। সচরাচর ওজন কমানোর জন্য অনেকেই ওটমিল খেয়ে থাকলেও এই খাবারটির অন্যতম গুণ হলো, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখা।

এ ছাড়া ডায়াবেটিস, হৃদরোগ কিংবা মাইগ্রেন এর মতো বহু জটিল রোগও নিয়ন্ত্রণে রাখে ওট। গবেষণায় দেখা গেছে, রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল রয়েছে- এমন ব্যক্তিরা প্রতিদিন মাত্র তিন গ্রাম ওট খেলে খুব দ্রুত তাদের দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক হয়।

সয়াবিন

সয়াবিনে থাকা আমিষ বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগকে দূরে রাখে। এর হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া নামের উপাদানটি রক্ত থেকে দূষিত কোলেস্টেরল-এলডিএল তাৎপর্যপূর্ণ রকম কমিয়ে ফেলে এবং রক্তের ভালো কোলেস্টেরল-এইচডিএল বাড়িয়ে দেয়। ধমনিতে জারণ প্রক্রিয়া প্রতিহত করতে দূষিত কোলেস্টেরলের জারণ রোধ করে।

সবুজ চা

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, চা খাওয়ার উপকারিতা অনেক। সবুজ ও কালো চা রক্তের কোলেস্টেরল বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তের জমাট বেঁধে যাওয়া প্রতিহত করে। সবুজ চায়ের কেটচিনস এবং কালো চায়ের থিফলেভিনস নামের উপাদান এভাবেই দেহকে বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখে।

বার্লি

সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হূৎপিণ্ডকে সুস্থ রাখার অনন্য উপাদান হলো বার্লি। রক্তে কোলেস্টেরল কমানোর ক্ষেত্রে জইয়ের চেয়েও বেশি কার্যকর এই বার্লি। রক্তে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরল থাকলে তা ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনার ক্ষমতা রাখে বার্লি।

ইসবগুল

কোলেস্টেরলের যৌগে থাকা বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে ইসবগুলের ভুসি। উচ্চমাত্রার আঁশজাতীয় এই খাবারটি সুস্থ রাখে হূৎপিণ্ডকে।

কমলার রস

টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোয় অত্যন্ত উপকারী। গবেষকরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়। এর কারণ হচ্ছে- কমলার রসে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং হেসপিরিডিনের মতো ফ্লেভনয়েড থাকে।

কাঠবাদাম

হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ফাইবার থাকে কাঠবাদামে, যা ভালো কোলেস্টেরল এইচডিএলের মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ২০১১ সালে নিউট্রিশন রিভিউতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, কাঠবাদামের মতো গাছের বাদাম খাওয়া এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে। এর ফলে করোনারি ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে।

এছাড়াও পাকা আম, তালমাখনা কিংবা কালোজিরা গুড়া ও আমলকি রক্তের কোলেস্টেরলকে কমানোর জন্য অনেক উপকারী।

ধুমপায়ীর ঠোটের কালো দাগ দূর করার উপায় 0 285

ঠোটের কালো দাগ দূর করার উপায়

ধূমপান এটি বদঅভ্যাস। ধূমপানের অভ্যাসের ফলে শ্বাসনালী বা ফুসফুসের মারাত্মক ক্ষতি হয়। সাথে সাথে আরো নানা রকম জটিল রোগ শরীরে বাসা বাধে। মূলত ধূমপানের ফলে ঠোঁট কালো হয়ে যায়। যারা ধূমপান করেন তাদের বেশির ভাগেরই ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়ে যায়। যার ফলে ধুমপায়ীরা ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার উপায় খুঁজতে থাকেন।

ঠোটের কালো দাগ দূর করার উপায়

ধুমপায়ীদের মধ্যে ঠোঁটের কালো দাগ দূর করার উপায় জানার প্রবণতা আছে। সেই সাথে যেকোন মূল্যে নিজেদের আকর্ষনীয় করে তুলতে চান প্রতিনিয়ত। কালো দাগ দূর করে ছেলেদের/ মেয়েদের ঠোঁট গোলাপি করার উপায় জেনে নেই এক নজরেঃ

লেবু-চিনি

লেবুর পাতলা একটি টুকরোর উপরে খানিকটা চিনি ছড়িয়ে দিয়ে রোজ ঠোঁটে মালিশ করুন। চিনি এখানে স্ক্র্যাবের কাজ করবে। চিনি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে। আর লেবু ঠোঁটের কালো হয়ে যাওয়া চামড়াকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। এটা কালো ঠোঁট গোলাপি করার সহজ উপায়।

গ্লিসারিনলেবুর রস

লেবুর রসের সঙ্গে খানিকটা গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রতিদিন অন্তত দুবার করে ঠোঁটে মাখুন। দিন দশেকের মধ্যেই উপকার চোখে পড়বে। এটা ঠোঁট কালো দূর করার উপায় গুলোর মধ্যে অন্যতম।

মধু-চিনি-বাদাম তেল

মধু, চিনি আর বাদামের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিয়ে নিয়মিত ঠোঁটে মালিশ করুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার কোমলতাও বাড়াবে।

টমেটোর রস

প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে টমেটোর রস ঠোঁটে মাখুন। এতে আপনার ঠোঁট উজ্জ্বল হবে। কমে যাবে ঠোটের কালচে দাগ এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যেই।

চিনি-মধু

মধুর আর চিনির সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মিশিয়ে মিনিট দশেক আলতোভাবে ঠোঁটে মাখুন। এই মিশ্রণ আপনার ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।

দুধ-টক দই

ঠোঁটকে উজ্জ্বল করতে ল্যাকটিক অ্যাসিড খুবই উপকারী। দুধ বা টক দইয়ে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকটিক অ্যাসিড। দুধ বা টক দই তুলোয় নিয়ে প্রতিদিন অন্তত দু’বার করে ঠোঁটে মালিশ করুন। এটি ঠোঁটের মরা চামড়াগুলোকে ঘষে তুলে দিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করতেও সাহায্য করে।

প্রাকৃতিকভাবেই ঠোটের কালো দাগ দূর করার উপায় বের করা উচিত। ঠোঁট গোলাপি করার ঔষধ, ঠোঁট গোলাপি করার ক্রিম কিংবা ঠোঁট গোলাপি করার লিপবাম সহ অনেক কিছুই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে প্রাকৃতিক ভাবেই চিকিৎসা নেয়ার দিকেই ডাক্তারদের পরামর্শ থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে।

আরো পড়ুনঃ অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির ঘরোয়া সমাধান