কালোজিরার উপকারিতা ও ওষধি গুনাগুন 0 264

কালোজিরার উপকারিতা

কালোজিয়া শুধু ছোট ছোট কালো দানা নয়, এর মধ্যে রয়েছে অবিশ্বাস্য ঐশ্বরিক শক্তি। প্রাচীনকাল থেকেই কালোজিরা মানবদেহের বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক ও প্রতিরোধক। শুধু এখানেই শেষ নয়, কালোজিরা চুলপড়া, মাথাব্যথা, অনিদ্রা, মাথা ঝিমঝিম করা, মুখশ্রী ও সৌন্দর্য রক্ষা, অবসন্নতা-দুর্বলতা, নিষ্ক্রিয়তা ও অলসতা, আহারে অরুচি এবং মস্তিষ্ক শক্তি তথা স্মরণশক্তি বাড়ায়। এ ছাড়া অনেকে গোপন শক্তি বাড়াতে যৌন চিকিৎসকের কাছে যান ও ভায়াগ্রা কিংবা যৌন শক্তিবর্ধক ঔষধ সেবন করেন! তাদেরকে বলছি আজ থেকে আর নয় ভায়াগ্রা, এক চামুচ কালোজিরাই যথেষ্ট। কারণ কালোজিরায় যৌন ক্ষমতা অপরিসীম। শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

যা আছে কালোজিরায় – কালোজিরার উপাদানঃ
কালোজিরায় রয়েছে-ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণুনাশক বিভিন্ন উপাদান। কালোজিরায় ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হরমোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

এবার জেনে নিই কালোজিরার উপকারিতাঃ

১. পেট খারাপ সমস্যা সমাধানঃ নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে উল্লেখযোগ্য ফল পাওয়া যায়।

২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিঃ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

৩. হাপানি সমস্যার সমাধানঃ যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে।

৪. ঠান্ডা সমস্যার সমাধানঃ প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে? এ ক্ষেত্রে কালোজিরা পুঁটলিতে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে পুঁটলিতে নেওয়ার আগে তা রগড়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়।

৫. মাথাব্যাথার উপশমঃ প্রচন্ড মাথা ব্যথা? কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়। এটা তখন ঝান্ডু বামের মত কাজ করবে।

৬. চুলকানি উপশমঃ কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়।

৭. ডায়াবেটিসের সমাধানঃ কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে।

৮. স্মরণশক্তি ঠিক রাখাঃ স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরা খুবই কার্যকর।

৯. পেট ও প্রস্রাব পরিষ্কার রাখাঃ পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়।

১০. শিশুর মানসিক বৃদ্ধিঃ শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

টিপসঃ অনলাইন শপিং হোক নিরাপদ ও সুরক্ষিত 0 395

নিরাপদ অনলাইন শপিং

নিরাপদ শপিং

একুশ শতকে প্রযুক্তির কাছ থেকে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি অনলাইন শপিং সুবিধা। আর বর্তমান সময়ে সারা পৃথিবী জুড়ে অনলাইন শপিং করে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ দুষ্কর। অনলাইন শপিং আপনাকে দিবে ঘরে বসে রোদ, বৃষ্টি আর ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে দোকান ঘুরে ঘুরে কেনাকাটা করার বিরক্তিকর অভিজ্ঞতা থেকে চির মুক্তি। ২৪ ঘন্টার যে কোন সময় আপনার মোবাইল কিংবা কম্পিউটার দিয়েই পণ্য পছন্দ করে অর্ডার করে ঘরেই পেতে পারেন সরাসরি হোম ডেলিভারি। তবে নিরাপদে অনলাইন শপিং করতে গেলে আপনাকে জানতে হবে বেশ কিছু কথা, থাকতে হবে কিছুটা সতর্কও।

দেখে নেয়া যাক কিভাবে আপনার অনলাইন শপিং হবে ১০০% নিরাপদ ও সুরক্ষিত

  • ইউআরএল টি “https” কিনা এবং সেই সাথে এড্রেস বারের প্যাডলক আইকন দেখে নিন। আপনার ভিজিট করা সাইটটি নিরাপদ কিনা এ সম্পর্কিত তথ্য দিবে এসব আইকন।
  • সবসময় দারাজ, আলীবাবা কিংবা আলী এক্সপ্রেস এর মত বিশ্বমানের সাইট থেকে শপিং করা উচিত, যাতে আপনি সুনিশ্চিত থাকতে পারেন যাতে আপনি কোন সমস্যায় না পড়েন। সঠিক ভাবে ইউআরএল লিখুন। “যোগাযোগ করুন” কিংবা ‘Contact us” অংশ চেক করে দেখুন যে, কোম্পানীর নাম, ঠিকানা ও কল সেন্টার নম্বর ঠিক আছে কিনা।

  • কোন পণ্যের দাম যদি একেবারে হিসেবের থেকেও কম মনে হয়, সেক্ষেত্রে একটু সচেতনতার সাথে ভেবে শপিং করা উচিত। এক্ষেত্রে কল সেন্টারে ফোন করে কিংবা ই-মেইল করে নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।
  • পপ-আপ অ্যাডে ক্লিক না করা ভালো। কারণ এটা অনেক সময় আপনাকে ক্ষতিকর কোন সাইটে রি-ডিরেক্ট করে দিতে পারে।
  • একেবারে ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে শেয়ার না করা ভালো, যেমন সামাজিক সিকিউরিটি নাম্বার ইত্যাদি।
  • ওয়েবসাইটটির ফেরত নীতিমালা ও অনলাইন শপিং এর খরচ সম্পর্কিত তথ্যাদি পরীক্ষা করে নিন।
  • প্রতারণা এড়াতে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে সবসময় অনলাইনে পণ্য ক্রয় করা উচিত। বেশিরভাগ ক্রেডিট কার্ডেই স্টেটমেন্ট পাবার ৩০ দিনের মধ্যে কেনাকাটার সময় প্রতারণা হলে রিপোর্ট করার সুবিধা থাকে।
  • হাই এন্ড বিলাসবহুল পণ্যের ক্ষেত্রে, ভাল পণ্য হোম ডেলিভারির নিশ্চয়তা পেতে সর্বদা আসল/অফিশিয়াল রিটেইলার বা সেলার থেকে ক্রয় করুন, থার্ড পার্টি(Third Party) থেকে নয়। এমনটি হলে খারাপ পণ্য পাবার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।
  • কোন অনলাইন রিটেইলারদের সাথে যখন একাউন্ট তৈরি করবেন তখন অবশ্যই শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। প্রত্যেক একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভিন্ন ভিন্ন হওয়া উচিত। এজন্য দেখে নিতে পারেন অনলাইনে কার্ড পেমেন্ট নিরাপদ কেন এবং কোন প্রকার অনলাইন ব্যাংকিং কিংবা লেনদেন কখনই পাবলিক ওয়াই-ফাই কানেকশনে করবেন না।

  • ই-মেইল থেকে আসা কোন লিংকে ক্লিক করার আগে সাবধান হোন। অনেক সময় এগুলো ভয়ানক হতে পারে। সন্দেহ হলে ক্ষতিকর লিংকে ক্লিক করবেন না। সাধারণত এসব লিঙ্ক থেকেই ব্যক্তিগত একাউন্টের তথ্য, পাসওয়ার্ড কিংবা ব্যাংকিং লেনদেন ও কার্ড নাম্বার হাতছাড়া হয়ে যায়। অথবা এমন কোন লিংকে রি-ডিরেক্ট হয়ে চলে যেতে পারে, যেখান থেকে পাসওয়ার্ড চিরতরে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এমন কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে সাইটটি নতুন উইন্ডো ওপেন করে “Contact Us” পোর্টালে গিয়ে ই-মেইল পাঠিয়ে রাখুন।

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম 0 309

বিকাশ কি?

বিকাশ(bKash) বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং(Mobile Banking) মাধ্যম। দেখে নিন কিভাবে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র(NID) দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন মিনিটেই। এই কাজটি সহজে করতে পারবেন ঘরে বসে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই। বিকাশ অ্যাপ এর মাধ্যমে আমরা ঘরে বসেই বিদ্যুৎ বিল দিতে পারি। তাছাড়া আরো অনেক টাকা লেনদেনের কাজ করতে পারবেন বিকাশ ব্যবহার করে ঘরে বসেই। এতদিন বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য সবাইকে এজেন্টের কাছে যেতে হতো কিন্তু বিকাশের নতুন অ্যাপ এর নতুন আপডেট এর মাধ্যমে ঘরে বসেই এক মিনিটের মধ্যেই আপনার ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে একাউন্ট খুলতে পারবেন সবচেয়ে সহজে এবং সবচেয়ে মজার বিষয় হল কাজটি করতে আপনাকে একবারের জন্যেও বিকাশ এজেন্টের কাছে যেতে হবে না।

বিকাশ একাউন্ট খোলার নিয়ম কি?

বিকাশ একাউন্ট খোলা একদম সহজ। দেখে নেয়া যাক কিভাবে আপনার মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খুলবেন ঘরে বসেই। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিকাশ একাউন্ট খোলার জন্য অবশ্যই আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ অ্যাপটিকে ইন্সটল করে নিতে হবে। তারপর –

প্রথম ধাপঃ লগইন/রেজিষ্ট্রেশন এর মধ্যে ক্লিক করুন
দ্বিতীয় ধাপঃ আপনার ১১ ডিজিটের মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন
তৃতীয় ধাপঃ অপারেটর বেছে নিন, ভেরিফিকেশন কোড কনফার্ম করুন
চতুর্থ ধাপঃ অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন এর শর্তাবলী পড়ুন এবং নিয়ম ও শর্তসমূহ বাটনে ক্লিক করুন
পঞ্চম ধাপঃ তারপর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মেনে চলুন

১ আপনার NID এর ছবি তুলুন
২ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন
৩ নিজের চেহারার ছবি তুলুন

ব্যস, সবকিছু সঠিকভাবে সাবমিট করে দিলে পরবর্তী ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার বিকাশ একাউন্ট সচল হয়ে যাবে।

Most Popular Topics

Editor Picks