জুতা-মোজা পরলেই কি পায়ে গন্ধ করে? 0 1399

পায়ের দুর্গন্ধে কী করবেন

গরমকালে ঘামের কারণে জুতা-মোজা পরলেই পায়ে গন্ধ হয়। অনেকে আবার শীতকালেও এই সমস্যার মুখোমুখি হোন। শীতকালে পায়ে দুর্গন্ধ হলে কোথাও গেলে জুতা খুলতে সবচেয়ে বেশি বিব্রতবোধ করেন। কিন্তু সামান্য টিপস অনুসরণ করলে মোজার অস্বস্তিকর দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পাবেন এক নিমিষেই।

কমলার খোসাঃ জুতার দুর্গন্ধ দূর করতে জুতার ভেতরে কয়েকটি কমলার খোসা সারারাত রেখে দিন। কমলার খোসা সমস্ত দুর্গন্ধ শুষে নিবে। জুতা ব্যবহারের আগে খোসাগুলো ফেলে ব্যবহার করুন।

<< Socks Bangladesh এর মোজা – যে মোজা ব্যবহার করলে পা গন্ধ করবে না একদম >>

ভিনেগারঃ ভিনেগার ব্যবহারের ফলে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না। সবচেয়ে ভালো কাজ করে আপেল সাইডার ভিনেগার। একটি পাএে ৬/৮ কাপ গরম পানি নিয়ে তাতে ১/২ কাপ ভিনেগার মিশিয়ে নিন এবং এই মিশ্রণে পা ভিজিয়ে রাখুন ১০/১৫ মিনিট। এরপর সাবান দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন যেন পায়ে ভিনেগারের গন্ধ না থাকে।

বেকিং সোডাঃ জুতার মধ্যে সামান্য বেকিং সোডা ছিটিয়ে দিন। পরদিন ভেতরের অংশ মুছে পরিষ্কার করে জুতা পরুন। দুর্গন্ধ থাকবে না। তবে চামড়ার জুতায় বারবার বেকিং সোডা ব্যবহার করবেন না। পুরনো মোজায় ২ টেবিল চামচ বেকিং সোডা নিয়ে গিঁট বেঁধে জুতায় রেখে দিতে পারেন। পরদিন মোজা সরিয়ে জুতা পরুন।

লবণঃ স্নিকারস দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে মাঝে মাঝে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। জুতার দুর্গন্ধ দূর হবে।

লবঙ্গঃ কয়েকটি লবঙ্গ জুতায় ফেলে রাখলেও উপকার পাবেন।

টি ব্যাগঃ ফুটন্ত পানিতে টি ব্যাগ ফেলে রাখুন ২ মিনিট। টি ব্যাগ ঠান্ডা হলে জুতার মধ্যে রেখে দিন। এক ঘণ্টা পর টি ব্যাগ সরিয়ে জুতার ভেতরের অংশ ভালো করে মুছে নিন। দুর্গন্ধের পাশাপাশি দূর হবে জুতায় থাকা ব্যাকটেরিয়া।

বেবি পাউডারঃ জুতা পরার আগে পায়ে বেবি পাউডার ব্যবহার করুন। এতেও জুতায় দুর্গন্ধ হবে না।

Previous ArticleNext Article

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জলপাই আচার – রেসিপি ১ – বানানোর নিয়ম 0 3266

জলপাই আচার

জলপাই আচার শব্দটা শোনার সাথে সাথেই ছেলে বুড়ো সবারই আসে জিভে জল। আজ তবে জলপাই আচার তো বানাবোই, তবে তার আগে জেনে নেই জলপাই সম্পর্কে কিছু কথা। জলপাই (Jolpai) একটি জনপ্রিয় গ্রীষ্মমন্ডলীয় টক ফল। এর বৈজ্ঞানিক নাম Elaeocarpus serratus। এটি সিলন অলিভ (Ceylon olive) নামেও পরিচিত। পুরো ভারতীয় উপমহাদেশ, ইন্দোচীন ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জলপাই বেশি হয়ে থাকে। জলপাই থেকে তৈরিকৃত আচার বেশ জনপ্রিয়, তবে জলপাই থেকে তৈরিকৃত জলপাই তেল এর ঔষধি গুনাগুন বেশ। এবার চলুন, দেখে নেয়া যাক কিভাবে সহজে স্বাস্থ্যসম্মত জলপাই আচার তৈরি করা যায় ঘরোয়া ভাবে।

জলপাই আচার বানানোর প্রয়োজনীয় উপকরণ :

  • কাঁচা জলপাই – ১ কেজি
  • আস্ত রসুন – ৩ টি ( কুচি কুচি করা )
  • আস্ত লাল মরিচ – ১০ টি
  • তেজ পাতা – ৩ টি
  • এলাচ – ৪ টি
  • দারুচিনি – ২ টি
  • পাঁচ ফোড়ন  – ৩ টেবিল চামচ
  • সরিষা বাটা – ৩ টেবিল চামচ
  • লাল মরিচের গুঁড়া -১ চা চামচ
  • হলুদের গুঁড়া -২ চা চামচ
  • ভিনেগার – ১ কাপ
  • চিনি – ২ কাপ বা আপনার স্বাদ মত 
  • সরিষার তেল – ১/২ লিটার 
  • লবণ – পরিমান মত

জলপাই আচার বানানোর পদ্ধতি :

  • কাঁচা জলপাই গুলো ধুয়ে সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে জলপাই গুলা ভর্তা করুন।  
  • ভর্তা করা জলপাই এ  লবণ, হলুদের গুঁড়া, লাল মরিচের গুঁড়া, সরিষা  বাটা ও ৪ টেবিল চামচ সরিষার তেল দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন ও সূর্যের আলো বা রোদে ৪ ঘণ্টা রাখুন। 
  • একটি বড় পাত্রে তেল গরম করে আস্ত লাল মরিচ, তেজপাতা, রসুন, পাঁচ ফোড়ন, এলাচ, দারুচিনি দিয়ে ৪-৫ সেকেন্ড ভাজুন। তারপর তাতে জলপাই দিয়ে আবার নাড়তে থাকুন। চিনি ও লবণ  দিয়ে নেড়ে ৫ মিনিট রান্না করুন।
  • এরপর ভিনেগার দিয়ে অল্প আঁচে আরো ৫ মিনিট রান্না করুন।   
  • তৈরী হয়ে গেল জলপাই এর আচার। খানিকটা ঠাণ্ডা হলে কাঁচের বোতলে সংরক্ষণ করুন।

এভাবে বেশ সহজ উপায়ে ঘরে বসেই বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার ও সুস্বাদু জিভে জল আনা জলপাই আচার। আর ঘরে বসে যখন কিছু বানাবেন তা হবে স্বাস্থ্যসম্মত ও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিহীন। ছোট কিংবা বড়, পরিবারের সবাই মিলে খেতে পারবেন মজার এই জলপাই রেসিপি।

আরো পড়ুনঃ তালমাখনা খাওয়ার উপকারিতা

Summary
recipe image
Recipe Name
জলপাই আচার
Author Name
Published On
Preparation Time
Cook Time
Total Time
Average Rating
51star1star1star1star1star Based on 4 Review(s)

ডায়াবেটিক খাদ্যাভ্যাসের ৪ টি প্রচলিত ভুল ধারণা 2 296

wrong idea of food habit

ডায়াবেটিস হলে শুরুতেই খাবারদাবারের ব্যাপারে আশপাশ থেকে অনেকেই সচেতন করতে থাকেন যেন এই রোগে আক্রান্ত হলে সুস্বাদু সব খাবার থেকেই মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে কিন্তু ব্যাপারটি সেরকম নয়। ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিক খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কিছু প্রচলিত ধারণা আছে যার অধিকাংশই ভুল।

চিনি ডায়াবেটিসের কারণ: আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন অনুসারে চিনি ডায়াবেটিসের কারণ নয়। তবে বেশি চিনিযুক্ত খাবারে সাধারণত ক্যালরি থাকে যা ওজন বাড়িয়ে তুলে ঝুঁকির কারণ হতে পারে তাই চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয় পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।

<<যেসব খাবার খেলেও ওজন বাড়ে না>>

বিশেষ খাবার প্রয়োজনঃ সবার মত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের সুষম খাদ্য বজায় রাখতে সচেষ্ট হওয়া উচিত। তাদের জন্য সব সময় পৃথক খাবার প্রস্তুত করার প্রয়োজন নেই। সুষম খাবার হলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, শাকসবজি, পূর্ণ শস্য দানা, চর্বিযুক্ত প্রোটিন ইত্যাদি। এগুলো রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। লো-গ্লাইসেমিকযুক্ত খাবার খেতে হবে। এগুলো শরীরে শর্করা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে।

<<যেসব সবজী খেলে মেদ কমবেই>>

প্রোটিন রক্তে সুগার বাড়ায় নাঃ প্রোটিন একটি অত্যন্ত তৃপ্তিকারী ম্যাক্রো-নিউট্রিয়েন্ট, যা আপনাকে খাওয়া-দাওয়ায় পরিপূর্ণ বোধ করাতে সহায়তা করে। এমনকি উচ্চ প্রোটিন ডায়েট ওজন কমাতে পারে। তবে পেশী বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন ঘাটতি পূরণে ব্যবহৃত না হলে ক্যালরিতে রূপান্তরিত হয়, যা ওজন বাড়িয়ে তুলতে পারে। বেশি প্রোটিন খাওয়ার দিকে মনোনিবেশ করার পরিবর্তে সুষম খাবার খাওয়ার দিকে মনোনিবেশ করুন।

<<রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যা খাওয়া জরুরী>>

শর্করা একেবারে বাদ দেয়াঃ না খেয়ে থাকা ডায়াবেটিক রোগীদের হাইপো-গ্লাইসেমিয়ার একটি লক্ষণ। শর্করা আপনার বয়স, ওজন এবং শারীরিক পরিশ্রমের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। এ জাতীয় খাবারের জন্য জটিল শর্করার পাশাপাশি বেশি আঁশযুক্ত খাবারের দিকে মনোযোগ দিন।

পরিশেষে, সঠিক তথ্য জেনে ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকুন, যাপন করুন সুস্থ স্বাভাবিক জীবন।

আরো পড়ুনঃ মেদ কমাতে দড়ি লাফ